তাজুল ইসলাম: সেনা কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করতেই হবে, আইন অনুযায়ী আটক রাখা যাবে না"
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় যাদের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, তাদের অবশ্যই আদালতে হাজির করতে হবে। তিনি বলেন, "যেখানে গ্রেফতার করা হবে, সেখান থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করতে হবে, তা ছাড়া আইন অনুযায়ী আটক রাখা যাবে না।"
১২ অক্টোবর, সোমবার, ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে এক ব্রিফিংয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, "আমরা জানি না, সেনাসদরের সংবাদ সম্মেলনে যা বলা হয়েছে, তা আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের জানানো হয়নি। যেহেতু আমরা জানি না, সেহেতু এ বিষয়ে মন্তব্য করব না। তবে, যদি আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয় যে, সেনা কর্মকর্তাদের আটক রাখা হয়েছে, তবে তাদের আদালতে হাজির করতে হবে।"
তাজুল ইসলাম আরও বলেন, "সংবিধান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইন এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, গ্রেফতার করার পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আসামিকে আদালতে হাজির করতে হবে। এটি আইনগত বিধান, যা কোথাও ব্যতিক্রম হতে পারে না।"
এদিকে, সেনাসদরের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছিল, ১৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা তাদের হাতে পৌঁছায়নি। তবে, তার আগেই তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়। সেনাসদর জানিয়েছে, তারা ন্যায়বিচারের পক্ষে এবং হেফাজতে থাকা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
২০১৮ সালের হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গত ৮ অক্টোবর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ২৫ সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। তাদের মধ্যে ১৫ জন এখনও সেনাবাহিনীতে কর্মরত। এর মধ্যে ১৪ জনকে এবং অবসরপ্রাপ্ত ছুটিতে থাকা একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
📝 সূত্রসমূহ:
তাজুল ইসলামের বক্তব্য: সেনা কর্মকর্তাদের আদালতে হাজির করার নির্দেশ
সেনাসদরের সংবাদ সম্মেলন: সেনা কর্মকর্তাদের হেফাজত ও গ্রেফতারি পরোয়ানা
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |